ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ঘরে ঢুকে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে । এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা করেন৷
সোমবার দুপুরে সদরের চিলারং ইউনিয়নের চিলারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আলাউদ্দীন একই এলাকার বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। গত সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান। একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে বের হলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঘরে একা ছিল।
দুপুর দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে এসে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। কিশোরী ফটোকপি দিলে তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ঘরের ভেতরে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
কিশোরী খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং পরে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করে। কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পালিয়ে যান। কিশোরীর বাবা তার শারীরিক অসুস্থতা দেখে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীনকে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি৷
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।


