জ্যেষ্ঠ কয়েকজন থেকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ চায় বিএনপি

জ্যেষ্ঠ কয়েকজন থেকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ চায় বিএনপি
প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: ফোকাস বাংলা
Advertisement
Advertisement

প্রধান বিচারপতি নিয়োগে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম একজনকে নির্দিষ্ট না করে, সিনিয়র বিচারপতিদের মধ্য থেকে অন্তত দুই থেকে তিনজনকে সম্ভাব্য বিকল্প রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের মধ্যাহ্ন বিরতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘ওনাদের (ঐকমত্য কমিশন) প্রস্তাব ছিল, আপিল বিভাগের সিনিয়র মোস্ট বিচারপতিই যেন পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হন। কিন্তু আমরা বলেছি, একটা অপশন থাকা দরকার। অন্তত দুই-তিনজন সিনিয়র বিচারপতিকে সেই সম্ভাবনার মধ্যে রাখা উচিত।’

এই প্রস্তাব এখনো কমিশনের পক্ষ থেকে গৃহীত হয়নি জানিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিচারপতি বাছাইয়ে একাধিক বিকল্প রাখার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পূর্বে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসংগতি দেখা গেছে। আমরা যদি নির্দিষ্ট করে দিই এবং কোনো বিকল্প না রাখি, তাহলে ভবিষ্যতে বিচারবিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আগের অভিজ্ঞতা বলছে, কিছু বিচারপতি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর রাষ্ট্রের জন্য তা শুভ হয়নি। তাই বিকল্প থাকা প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন

এর আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যদি নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়, তাহলে জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে।’

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘যদি নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়, তাহলে জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে। এই রায় যদি কোনো দল বারবার পায়, তবে কাকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে, তা নির্ধারণে দলের স্বাধীনতা থাকা উচিত।’

তিনি জানান, ঐকমত্য কমিশন প্রধানমন্ত্রী পদে বিকল্প প্রস্তাব দিলেও তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি পায়নি।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি, পরপর দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তবে বিরতি দিয়ে হলে সমস্যা নেই।’

প্রধানমন্ত্রী, দলীয়প্রধান ও সংসদ নেতা একই ব্যক্তি হবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এটা কোনো বাধ্যতামূলক বিষয় নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন উদাহরণ আছে। তবে আমাদের সংসদীয় রীতিতে প্রধানমন্ত্রীই সাধারণত সংসদ নেতা হয়ে থাকেন।’

তিনি যোগ করেন, ‘সংসদ নেতা হিসেবে কার্যনির্বাহী ক্ষমতা নেই। প্রয়োজন হলে নিয়ম পরিবর্তন করে তার দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করা যেতে পারে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad