বোরকা ব্যবহার করে জাল ভোট বা ভুয়া ভোট দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, ‘বোরকা আমরা শ্রদ্ধা করি। আমার মা বোরকা পরতেন। কিন্তু বোরকা পরে জাল ভোট দিতে এলে আমরা সহ্য করব না। সরাসরি প্রতিহত করা হবে।’
শনিবার রাজধানীর পল্টনে আনন্দ ভবন কমিউনিটি সেন্টারে হজ এজেন্সি, রিক্রুটিং এজেন্সি ও ট্রাভেল এজেন্সির মালিকদের সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দেশ ও জাতি বর্তমানে একটি অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তবে আমরা ভালো আছি না, খারাপ আছি–এটি একেকজন একেকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন। আমরা যে অবস্থায় ছিলাম, এখন সে অবস্থায় নেই। শেখ হাসিনার সময় পুলিশ উপদ্রব করত, এখন করে না। তবে অন্যদিকে আমরা এখনো ভালো নেই। কারণ, দেশের মানুষ স্বস্তিতে নেই, শান্তিতে নেই; বরং অস্বস্তির মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। বহু যুদ্ধ, রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে জনগণ এই নির্বাচন অর্জন করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যেমন কোনো দান ছিল না, ভোটের অধিকারও তেমনই অর্জিত।’
মির্জা আব্বাস বলেন, বয়স মানেই অচল হওয়া নয়। বরং অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের জন্য সম্পদ। অভিজ্ঞদের পরামর্শ কাজে লাগালে নতুন প্রজন্ম কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে।
তিনি বলেন, রাজনীতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ভোট সংগ্রহ করা। সমাবেশ ও মিছিল করা সহজ, কিন্তু ভোটারদের বোঝানো এবং ভোট জোগাড় করাই মূল কাজ।
নির্বাচনের ফল প্রকাশে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, যদি ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ফল প্রকাশে দেরি হয়, তবে তা অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্টদের ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। কারণ, ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনো চলমান রয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের দিন জনগণ একটি সুষ্ঠু ও পরিষ্কার নির্বাচন উপহার দেবে। নির্বাচনের পর ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনে সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।


