কারচুপির অভিযোগ তোলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন চলাকালে ফজিলাতুন্নেছা হলের ভোট সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়। কিছুক্ষণ পরে আবার হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ফজিলাতুন্নেছা হলের ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়। এর দুই ঘণ্টা পর আবার হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
জানা গেছে, ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের কিছু নেতা ফজিলাতুন্নেছা হলে ঢুকে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত যায়। যেকোনো রকমের কারচুপি ঠেকানোর জন্য তারা হল প্রশাসনের কাছে যায়। এরপরই নির্বাচন কমিশন সেই হলে ভোট সাময়িকভাবে স্থগিত করে।
এর আগে তাজউদ্দিন হলেও কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল ভোটগ্রহণ। ছাত্রদলের ভিপি ও এজিএস পদপ্রার্থী তাজউদ্দীন আহমদ হলের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে চাইলে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয় ভোটাররা। শিক্ষার্থীরা ভোট কেন্দ্রে কোনো প্রার্থীকে প্রবেশ করতে দিতে চায়নি। এ নিয়ে বন্ধ রাখা হয় ভোটগ্রহণ। ছাত্রদল নেতারাও হল ত্যাগ না করায় সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বহুল কাঙ্ক্ষিত এই জাকসু নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোট চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। দীর্ঘ ৩৩ বছরের খরা কাটিয়ে শুরু হওয়া জাকসুর ভোট নিয়ে রয়েছে সকলের বাড়তি আগ্রহ। উপরন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের একদিন পরেই হওয়ায় জাকসুর ভোটের গুরুত্ব আরো বেড়েছে।

বিকাল ৫টায় নির্বাচন শেষে ভোট গণনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ফলাফল ঘোষণা করা হবে সন্ধ্যা ৭টায়।
এবার জাকসুতে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছয় হাজার ১০২ জন এবং নারী ভোটার পাঁচ হাজার ৮১৭ জন।
ভোটগ্রহণ উপলক্ষে ১০টি মেয়েদের হল ও ১১টি ছেলেদের হল মিলিয়ে মোট ২১টি হলে স্থাপন করা হয়েছে ২২৪ বুথ। এ ভোটে পোলিং অফিসার রয়েছেন ৬৭ জন। সহযোগী পোলিং অফিসারও ৬৭ জন। সংশ্লিষ্ট হলের ওয়ারদেন রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া হল সংসদের সভাপতি বা প্রভোস্ট পালন করছেন সার্বিক দায়িত্ব।


