সালমান আলী আগার ঝুলিয়ে দেয়া বলটা পিচ করল স্লটে। উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে তানজিদ হাসান তামিম তুলে মারলেন লং অফের ওপর দিয়ে। বল উড়ে এসে পড়ল মিডিয়া প্রান্তের সাইট স্ক্রিনের কাছে। ছক্কা মেরে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। বোলিং প্রান্তে স্পিনার ছিলেন বলে হেলমেট ছাড়া ব্যাট করছিলেন, তাই খোলার দরকার পড়েনি। তবে উদযাপন হয়ে রইল স্পেশালই।
দুই হাত তুলে চোখ বুঝে আকাশপানে তাকিয়ে যেন স্বস্তির একটা নিঃশ্বাস ফেললেন তানজিদ। ব্যাট তুললেন ড্রেসিংরুমের দিকে। সেঞ্চুরির পর সিজদাতে লুটিয়ে কৃতজ্ঞতাও জানালেন সৃষ্টিকর্তার কাছে। আর সেঞ্চুরিটাও পেলেন এমন এক ম্যাচে, যেখানে জিততেই হবে বাংলাদেশকে।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাট করেছেন তানজিদ। প্রথম বাউন্ডারিটা এসেছে তার সিগনেচার শট, ফ্লিকে। হারিস রউফকে সেই ওভারেই মেরেছেন ফ্লিক করে বিশাল এক ছক্কা, ফাইন লেগের ওপর দিয়ে। সেখান থেকেই শুরু তানজিদের। চারটি ছক্কা আর তিনটি চারে ৪৬ বলে ছুঁয়েছেন নিজের ষষ্ঠ ফিফটি। সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন ৯৮ বলে। পরের পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন আরো তিন ছক্কা আর আর তিনটি চারে।
অবশ্য সেঞ্চুরির পর অবশ্য ইনিংস খুব বেশি টেনে নিতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। আবরার আহমেদকে স্কয়ার কাট করতে গিয়ে কভারে শাহীন শাহ আফ্রিদির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। থেমেছেন ১০৭ বলে ১০৭ রান করে।
এর আগে সাইফ হাসানের সাথে গড়েছিলেন ১০৫ রানের জুটি। সাইফের বিদায়ের পর সেই জুটিতে ভর করেই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে তানজিদের বিদায়ে হয়েছে ছন্দপতন।


