চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে নিহত সংখ্যা ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, নিহতদের মধ্যে আটজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। দুইজন গুরুতর আহতসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহতরা হলেন, হারাং দাসের ছেলে পলাশ দাস, মৃত প্রদীপ দাসের ছেলে সানি দাস, সেকান্দারের ছেলে মো. মনচুর ও নাসির উদ্দিন, হারুন মিয়ার ছেলে রানা মিয়া, আবদুল মালেকের ছেলে হাবিবুর রহমান, মো. রানার ছেলে খোকন মিয়া, মো. আলীর ছেলে আবদুল আলিম সুজন ও মো. হানিফের ছেলে মতিউর রহমান
সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলের ভেতরে আর কোনো শ্রমিক আটকা নেই। পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।’
এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভাটিয়ারীর ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়।
প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের পর শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকট শব্দের পর শিপইয়ার্ড থেকে প্রচুর ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে গ্যাসে কয়েক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ কন্ট্রোল রুম জানায়, উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সীতাকুণ্ডের কুমিরা ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শ্রমিকরা একটি এলএনজি বহনকারী স্ক্র্যাপ জাহাজ কাটার সময় এ ঘটনা ঘটে। তখন জাহাজটি সন্দ্বীপ চ্যানেলের পানিতে নোঙর করা ছিল।


