তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় দেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন এই রায়ের মাধ্যমে সফলতা পাবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কমল মেডি এইড-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফ্রি মেডিকেল ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে এদিন সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাতজন বিচারপতির বেঞ্চ ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে এবং নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করার রায় দেয়।
এ বেঞ্চের অপর ছয় বিচারপতি হলেন–মো. আশফাকুল ইসলাম, জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মো. রেজাউল হক, এস এম ইমদাদুল হক, এ কে এম আসাদুজ্জামান ও ফারাহ মাহবুব।
আমীর খসরু বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুপস্থিতিতে মানুষকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এখন এটি ফেরত এসেছে। কীভাবে গঠন হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। এই ব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য অনেক নির্বাচন ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি দলের নিজস্ব দর্শন ও ভাবনা আছে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি সামনে রেখে দলগুলো জনগণের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। বিগত দিনের অপসংস্কৃতি থেকে বের হয়ে রাজনীতিতে ইতিবাচক সংস্কৃতি চালুর পক্ষে বিএনপি।
অনির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ কতটা পিছিয়েছে তা মানুষ দেখেছে। জনগণের রায় বাস্তবায়ন করা সহজ হয় না অনির্বাচিত সরকারের সময়। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুনর্বহাল দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যোগ করেন তিনি।
আপিল বিভাগ জানায়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে।


