ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৪০ প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাতিল করা হয় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শুক্রবার গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ নিয়মে জেলায় ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ)
আট প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন হাতপাখা প্রতীকের রমজান আলী, কাঁচি প্রতীকের পরমানন্দ দাস, প্রজাপতি প্রতীকের কওছর আজম হান্নু, কলস প্রতীকের ছালমা আক্তার ও ঢেঁকি প্রতীকের মোস্তফা মহসিন।
গাইবান্ধা-২ (সদর)
সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন লাঙল প্রতীকের আব্দুর রশীদ সরকার, হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ, কলম প্রতীকের শাহেদুর জাহান, কাস্তে প্রতীকের মিহির কুমার ঘোষ ও কাঁচি প্রতীকের আহসানুল হাবীব সাঈদ।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী)
১০ প্রার্থীর মধ্যে আটজন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন লাঙল প্রতীকের মইনুর রাব্বী চৌধুরী, ট্রাক প্রতীকের সুরুজ মিয়া, হাতপাখা প্রতীকের এটিএম আওলাদ হোসাইন, কাস্তে প্রতীকের আব্দুল্লাহ আদিল, আপেল প্রতীকের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, কলম প্রতীকের মনজুরুল হক, ঘোড়া প্রতীকের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও ঢেঁকি প্রতীকের আজিজার রহমান।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ)
ছয় প্রার্থীর মধ্যে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন লাঙল প্রতীকের কাজী মো. মশিউর রহমান, হাতপাখা প্রতীকের সৈয়দ তৌহিদুর রহমান তুহিন, কোদাল প্রতীকের আতোয়ারুল ইসলাম ও মোটরসাইকেল প্রতীকের আব্দুর রউফ আকন্দ।
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা)
নয় প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন লাঙল প্রতীকের শামীম হায়দার পাটোয়ারী, হাতপাখা প্রতীকের আজিজুল ইসলাম, কাঁচি প্রতীকের রাহেলা খাতুন, কাস্তে প্রতীকের শ্রী নিরমল, ঘোড়া প্রতীকের মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ ও মোটরসাইকেল প্রতীকের এইচ এম গোলাম শহীদ রনজু।


