আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমকে রাজধানী মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার বিকালে মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে উত্তেজিত জনতা ও একদল শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ধরলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ডিএমপির মিরপুর বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ মুস্তাক সরকার টাইমসকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মোহাম্মদপুর ও গুলশান থানায় ফাহিমের বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফাহিমকে এলাকায় দেখতে পেয়ে উপস্থিত লোকজন ও শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও পূর্ববর্তী অবস্থানকে কেন্দ্র করে স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
এদিকে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই দিন চিড়িয়াখানা জনসাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। মিরপুর চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘বিকেলের দিকে গেটম্যানের মাধ্যমে জানতে পারি চিড়িয়াখানার গেটে ৩০ থেকে ৪০ জন লোক আরএস ফাহিমকে ঘিরে রেখেছে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আরএস ফাহিমের সাদা রঙের গাড়িকে ঘিরে ৭-৮ জন ব্যক্তি ভাঙচুরের চেষ্টা করছে। এর আগে চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে থাকা অবস্থায়ও তার গাড়িকে ঘিরে ধরে উত্তেজিত ছাত্র-জনতা। এ সময় তিনি নিজ গাড়ির ভেতরেই অবস্থান করছিলেন।


