আগামী নির্বাচন ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা–১৭ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।
তিনি বলেন, ‘অনেকে মনে করছেন বিএনপি এবং তারেক রহমান সহজেই বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই নির্বাচন ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এই ষড়যন্ত্র শুধু বিএনপি বা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নয়, এটি দেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে।’
শনিবার রাজধানীর বনানী ঢাকা – ১৭ আসন বিএনপির নির্বাচনী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আবদুস সালাম এসব কথা বলেন।
তিনি মনে করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন কোনোভাবেই সহজ হবে না।
দেশের এখনো জনগণ পুরোপুরি গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভোটের অধিকার এখনো পুনরুদ্ধার হয়নি। ফলে ভোটের আগের লড়াইয়ের পাশাপাশি ভোটের পরেও বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। একটি দুর্বল সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
‘তারা চায় বিএনপি যেন শক্তিশালী সরকার গঠন করতে না পারে। কারণ দুর্বল সরকার শক্ত অবস্থান নিতে পারে না। অথচ গত ১৭–১৮ বছরে দেশের যে সর্বাত্মক ক্ষতি হয়েছে তা মেরামত, সংস্কার ও পুনর্গঠনের জন্য একটি শক্তিশালী সরকার অপরিহার্য।’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই আগামী দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন, এমন প্রত্যয় জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ‘তারেক রহমান যদি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন, তাহলে দেশের নেতৃত্ব আরও দৃঢ় ও কার্যকর হবে। কিন্তু কোনোভাবে কম ভোটে জয়ী হলে সেই শক্ত অবস্থান নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।’
‘প্রতিটি ভোটের মূল্য অপরিসীম। ভোটারদের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের দায়িত্ব আরও বেশি। আপনারা শুধু ভোটার নন, আপনারা কর্মী। আপনাদের জোটের প্রার্থী তারেক রহমান। তাই প্রতিটি ওয়ার্ড, থানা ও কেন্দ্রভিত্তিক সংগঠিতভাবে কাজ করতে হবে।’
অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ও গুজবের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন– বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনারসহ বিএনপি ও বিজেপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


