গুলিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি নিহতের ঘটনায় একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে শনিবার।
গত বৃহস্পতিবার তার মৃত্যুর পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এ শোক ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
শোক দিবস উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
শনিবার দুপুর দুইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শরিফ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, জানাজায় অংশগ্রহণে আগ্রহীদের কোনো প্রকার ব্যাগ বা ভারী বস্তু বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে এসময় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বর্তমানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমাগারে রাখা আছে হাদির মরদেহ। দক্ষিণ প্লাজার জানাজা শেষে মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে। এরপর পরিবারের দাবির ভিত্তিতে ওসমান হাদিকে কবি নজরুলের পাশে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান হাদির মৃত্যু হয়।
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। পাশের একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে অটোরিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর পর শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ বহনকারী বিমানটি দেশে এসে পৌঁছায়।


