নিজ নিজ ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ২০ জন। এই তালিকায় খালেদা জিয়া, হানিফ সংকেত ও জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ রয়েছেন আরও ১৫ ব্যক্তি। পুরস্কার পাচ্ছে ৫টি প্রতিষ্ঠানও।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ূন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।
এবার মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন সদ্যপ্রয়াত তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য তাকে পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর); বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম; চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল; সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর); সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং বশির আহমেদ (মরণোত্তর); ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু); পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এ পুরস্কার পাচ্ছেন।
এ ছাড়া সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইফুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর); গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পিএইচডি, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া; এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।


