এবার মডেল মেঘনার ব্যাংক হিসাব তলব

এবার মডেল মেঘনার ব্যাংক হিসাব তলব
মডেল ও সাবেক ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’ মেঘনা আলম। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

মডেল মেঘনা আলমের ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত সব তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। রোববার (২০ এপ্রিল) দেশের সব ব্যাংকের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মেঘনার নামে থাকা ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য (হিসাব খোলার আবেদন ফর্ম, ‘নো ইয়োর কাস্টমার’ সংক্রান্ত দলিল ও সাম্প্রতিক লেনদেনের বিবরণ) বিএফআইইউ’র চিঠি পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে পাঠাতে হবে।

জানা গেছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মডেল মেঘনার আর্থিক লেনদেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হবে। তার বিরুদ্ধে আনা কিছু গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই তদন্ত শুরু হয়েছে।

মেঘনা আলমকে ১০ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বসুন্ধরার বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ‘বিশেষ ক্ষমতা আইনে’ আটকাদেশ দিয়ে আদালত তাকে একমাসের কারাবাসে পাঠায়। সে সময় মেঘনার আটক প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠে। পরে একটি চাঁদাবাজির মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন

১৫ এপ্রিল চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে  ধানমন্ডি মডেল থানায় ওই মামলা করেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আবদুল আলীম। মামলায় মেঘনা আলম, ব্যবসায়ী দেওয়ান সমির এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

ওই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা এক বিদেশি কূটনীতিকের কাছ থেকে পাঁচ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬০ কোটি টাকা) দাবি করেন। যদিও এজাহারে কূটনীতিকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২৯ মার্চ ধানমন্ডির একটি রেস্তোরাঁয় একটি গোপন বৈঠকে মেঘনা আলম, সমির ও আরও কয়েকজন অংশ নেন। সেখানেই কূটনীতিকের কাছ থেকে অর্থ দাবি ও আদায়ের পরিকল্পনা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, এই ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য হুমকি’ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এর আগে, ভাটারা থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি চাঁদাবাজির মামলায় ১১ এপ্রিল গ্রেপ্তার হন মেঘনার কথিত সহযোগী দেওয়ান সমির।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad