এখনো গণতন্ত্র ধ্বংসের প্রচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল

এখনো গণতন্ত্র ধ্বংসের প্রচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: ভিডিও থেকে
Advertisement
Advertisement

গত বছরের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও দেশে গণতন্ত্র ধ্বংসের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান বাংলাদেশে বিভিন্ন রকমভাবে একটা প্রচেষ্টা চলছে, একটা চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্রকে আবারও ধ্বংস করার জন্যে।’

শুক্রবার সকালে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাসসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।

এ মুহূর্তে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ বাঙালি জাতির জীবনে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ তা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনার চার বছরে জিয়াউর রহমান দেশে আমূল পরিবর্তন আনেন। তিনি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা দেশকে পরবর্তীতে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।’

আরও পড়ুন

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের সেই পথেই যেতে অনুপ্রাণিত করে, যে পথে সত্যিকার অর্থে আমরা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করতে পারব। একটা সমৃদ্ধ রাষ্ট্র নির্মাণ করতে পারব। জনগণের ভোটের অধিকারকে সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠা করতে পারব। বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে পারব।

‘সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, বিএনপি এগিয়ে যাবে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি,’ যোগ করেন তিনি।

দেশের পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনায় বসার প্রস্তাব বিষয়ে নতুন করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মির্জা ফখরুল। বরং সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঠানো বক্তব্যই বিএনপির চূড়ান্ত বক্তব্য বলে জানিয়ে দেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী থেকে উদ্ধার করে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব অর্পণের কাজটি বাংলাদেশের অগ্রগতির মোড় ঘোরানো দিক ছিল। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর