নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকায় যুক্ত হয়েছে নতুন প্রতীক ‘শাপলা কলি’।
শাপলা প্রতীক নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দাবির মধ্যেই নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধন করে এমন সিদ্ধান্ত জানাল কমিশন।
বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে সই করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের গঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শুরু থেকেই দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা ব্যবহার করে আসছে। দলটির লোগোতেও রয়েছে শাপলা। এর ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনের কাছেও দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা দাবি করেছিল। কিন্তু শাপলা জাতীয় প্রতীকের অংশ হওয়ায় সেটি এনসিপিকে দেয়নি নির্বাচন কমিশন। এমনকি এনসিপির আগেও কয়েকটি দল শাপলা চেয়েছিল, কিন্তু দেওয়া হয়নি।
নির্বাচন কমিশন বারবারই বলে আসছিল যে, কমিশনের প্রতীকের তালিকা থেকে যেকোনোটি বেছে নিতে হবে এনসিপিকে। কিন্তু এনসিপিও শাপলার ব্যাপারে অনড় ছিল। সাদা বা লাল শাপলা কিংবা পানিতে ভাসমান শাপলা; যেকোনো কিছুর দাবি ছিল তাদের।
এনসিপির নেতারা বিভিন্ন সময়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, তাদের শাপলা প্রতীক দেওয়া না হলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিতই হতে দেওয়া হবে না।
সবশেষ গত ১৯ অক্টোবরও ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ না দেওয়ার প্রশ্নে নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) অনড় রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শাপলা ইস্যুতে ইসির অবস্থান একই। যেহেতু নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় জাতীয় প্রতীক বরাদ্দের কোনো বিধান নেই, তাই এটি দলীয় প্রতীক হিসেবে দেওয়ার সুযোগও নেই।’
সেদিনও বৈঠক শেষে বেরিয়ে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছিলেন, শাপলা ছাড়া কোনো প্রতীক এনসিপি গ্রহণ করবে না।


