ইসরায়েলি হামলায় ইরানের স্কুলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১8৮

ইসরায়েলি হামলায় ইরানের স্কুলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১8৮
ইরানে স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর উদ্ধার কাজ চলছে। ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

ইরানের স্কুলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১8৮ জনে। আহত হয়েছেন ৯৫জন। দেশটির এক স্থানীয় প্রসিকিউটর রোববার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের স্কুলটি থেকে ৮৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হামলার সময় মেয়ে শিশুদের প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে অন্তত ১৭০ জন উপস্থিত ছিল বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

স্কুলটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একটি ঘাঁটির কাছে অবস্থিত, যা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সাম্প্রতিক বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

শনিবার সকালে ইরানে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল। ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় শতাধিক বেসামরিক ভবনও। তারই একটি ওই স্কুল।

আরও পড়ুন

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ ঘটনাকে ‘বর্বর হামলা’ ও ‘আগ্রাসীদের অসংখ্য অপরাধের তালিকায় আরেকটি কালো অধ্যায়’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে স্কুলে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট বিবিসিকে জানিয়েছে, দেশজুড়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক যৌথ হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে অন্তত এক নারী নিহত হয়েছেন। তেহরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন আরও ১২১ জন। অবশ্য ইসরায়েলি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে, আহতদের বেশিরভাগের আঘাত সামান্য।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের দাবি-ইরান থেকে ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে তেল আবিব এবং বেইত শেমেশ শহরে আঘাত হানে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত মূলত ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনার বহিঃপ্রকাশ। তবে এর প্রভাব পড়ছে পশ্চিম তীরের সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপরও। তারা বর্তমানে সামরিক দখলদারিত্বের মধ্যে কার্যত সুরক্ষাহীন অবস্থায় বসবাস করছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর