আমরা ইসরায়েলের ‘রেড জোনের’ কাছে: শহিদুল

আমরা ইসরায়েলের ‘রেড জোনের’ কাছে: শহিদুল
গাজামুখী ‘কনসায়েন্স’ জাহাজ। ছবি: শহিদুলের ফেসবুক পোস্ট
Advertisement
Advertisement

গাজামুখী ‘কনসায়েন্স’ নামক জাহাজ স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে ইসরায়েলের ‘রেড জোনে’ পৌঁছাবে বলে ওই জাহাজ থেকে জানিয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। সদ্য এক ফেসবুক ফটো পোস্টে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা থেমে নেই।’

‘তবে আমরা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছি, কারণ আমরা “হাজার ম্যাডলিন” নামক ছোট ও ধীর গতির নৌকাগুলোকে সাথে নিয়েই এগুলোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে আমরা “সুমুদ ফ্লোটিলার” চেয়ে অনেক দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি,’ বলেন শহিদুল।

তিনি বলেন, ‘প্রবল বাতাস ও একটি বড় ঝড়ের কারণে আমাদের পথে অস্থায়ী বিরতি পড়েছিল। এখন ধীরগতির নৌকাগুলো আমাদের সঙ্গে এসে পৌঁছেছে এবং আমরা “রেড জোন” থেকে প্রায় ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে আছি।’

গাজামুখী ‘কনসায়েন্স’ জাহাজে শহিদুল আলম। ছবি: শহিদুলের ফেসবুক পোস্ট

শহিদুল মনে করিয়ে দেন ‘এর আগে এই অঞ্চল থেকেই “অবৈধভাবে” আইডিএফ (ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স) ফ্লোটিলাগুলোকে আটক করেছে।’

তিনি আরো জানান, ‘আমরা এখন “কনসায়েন্স” নামক জাহাজে আছি, যা “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন” (এফএফসি)-এর অংশ। এর আগে “সুমুদ ফ্লোটিলার” জাহাজগুলো ফিলিস্তিনের অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিল। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সে সব জাহাজ দখল করেছে।’

আরও পড়ুন

গাজামুখী ‘কনসায়েন্স’ জাহাজে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা। ছবি: শহিদুল আলমের ফেসবুক পোস্ট

তিনি আরো জানান, “কনসায়েন্স” মূলত সাংবাদিক ও চিকিৎসক দ্বারা গঠিত, কারণ এই দুটি পেশাগত গ্রুপ ইসরায়েল বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হত্যা করেছে। এই দুটি গ্রুপের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। এসবই ওইসব “হত্যাকাণ্ডের বৈধতা” এবং গাজার “অবৈধ অবরোধের” বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ।’

ফেসবুক নোটে ইউকি উদ্ধৃত করে শহিদুল আরো লেখেন, ‘৭ অক্টোবর ২০২৫, সকাল। আজ থেকে দুই বছর আগে, এই দিনেই হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসরায়েলের ওপর একটি হঠাৎ আক্রমণ চালায়, যার ফলে এক হাজার ১৯৫ ইসরায়েলি ও বিদেশী নাগরিক, যার মধ্যে ৮১৫ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন, নিহত হন। ২৫১ জনকে বন্দি করে রাখা হয়, এবং তাদের মুক্তির জন্য ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির জন্য চাপ দেওয়া হয়।’

‘পরবর্তীতে ইসরায়েলের আক্রমণের পর গাজায় ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী ও শিশু এবং এক লাখ ৬৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। “দ্য ল্যানসেট” এর এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুন নাগাদ ট্রমাটিক আঘাতে মৃত্যুর সংখ্যা কম হিসাব করা হয়েছে, এবং “পরোক্ষ” মৃত্যুগুলোর যোগফলে একটি আরো বড় মৃত্যু সংখ্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে,’ উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad