সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, ‘আইনজীবীদের মধ্যে আমাদের অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সম্পর্কে নোট বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। এখানে আমরা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করব।’
রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমরা এখানে কোনো অবৈধ কাজ করছি না, রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছি। এর মধ্যে এই নোট বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পছন্দমত বেছে বেছে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ আছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে অবৈধ লেনদেনেরও অভিযোগ আছে। আমরা কিছু ব্যক্তিকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছি। আমার নিয়োগের পর থেকেই আমি এ ধরনের বেআইনি কার্যক্রমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আমরা সুস্পষ্ট বার্তা দিচ্ছি। তাদের শেষবারের মত সতর্ক করে দিচ্ছি।’
উচ্চ আদালতে মামলাজট প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুরনো মামলা নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে পৃথক একটি বেঞ্চ গঠন করতে হবে। এই মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয় বিচারিক প্রক্রিয়ায় এবং মামলাগুলো নিষ্পত্তি করেন বিচারক। বর্তমান প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগে অনেক পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করেছেন।
আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, বার কাউন্সিল পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রিতা পীড়াদায়ক। যত দ্রুত সম্ভব যথাসময়ে পরীক্ষা নিতে চেষ্টা করতে হবে।
নতুন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ প্রসঙ্গে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, এটা একান্তই সরকারের সিদ্ধান্ত। সরকারই ঠিক করবে কতজন আইন কর্মকর্তা দরকার। তবে যতজনই নিয়োগ হোক, সরকার দক্ষতা ও যোগ্যতার ওপর গুরুত্ব দেবে।


