নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে দুর্বৃত্তদের অ্যাসিড নিক্ষেপে গুরুতর আহত হয়েছেন হালিমা বেগম (৭০)। নাতনি শাবানাকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছোড়া হলেও তা গিয়ে পড়ে হালিমা বেগমের শরীরে।
আহতের মেয়ে ও নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোসাম্মৎ চামেলী বেগম জানান, তার মেয়ে শাবানাকে কলেজে যাওয়ার পথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা ইভটিজিং ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় একটি মামলা আদালতে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘রোববার রাত আনুমানিক ২টার দিকে হালিমা বেগম ও শাবানা বাড়ি থেকে বাথরুমে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা শাবানাকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। শাবানা রক্ষা পেলেও হালিমা গুরুতর দগ্ধ হন।’
‘স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে প্রথমে গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
সিভিল সার্জন মো. মুক্তাদির আরেফিন জানান, সোমবার ভোর ৬টার দিকে এসিডে দগ্ধ একজন রোগী ভর্তি হন। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চামেলী অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ১১ বছরের এক শিশুর ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা প্রতিশোধমূলকভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


