অনুষ্ঠিত হলো চতুর্থ সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা সম্মেলন

অনুষ্ঠিত হলো চতুর্থ সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা সম্মেলন
Advertisement
Advertisement

রাজধানীতে হয়ে গেল চতুর্থ সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা সম্মেলন।

শনিবার ঢাকার খামারবাড়ীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনের থ্রি-ডি হলে আয়োজন করা হয়েছিল ভিন্ন ধরনের এই সম্মেলনের।

কমিউনিটি অ্যাপ্রোচে ক্যান্সার নিয়ে কাজ করছেন বা আগ্রহী এমন চিকিৎমক ও সংশ্লিষ্টরা এতে উপস্থিত ছিলেন। এসময় রোগনির্ণয় ও নিরাময়ের পাশাপাশি এর আর্থসামাজিক নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

ক্যান্সার সেবায় সামাজিক সম্পৃক্তি বৃদ্ধি, সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবার প্রতি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার তৎপরতা বৃদ্ধি, সমাজভিত্তিক ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও নিবন্ধন, ক্যান্সার সেবা প্রাপ্তিতে পরিবারের দায়িত্ব, সমাজভিত্তিক প্রশমন সেবা, সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ক্যান্সার রোগীদের খাবার ও পুষ্টির গুরুত্ব, জীবন জয়ের গল্প, সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবার নানা উদ্যোগের কথা উঠে আসে আলোচনায়।

আরও পড়ুন

সম্মেলনে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক এম এ হাই, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের সভাপতি ড. আবু মুহম্মদ জাকির হোসেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল ও ডা. আরিফ মাহমুদ, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী ও অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, ক্যান্সার প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার, নারী অধিকার সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. হালিদা হানুম আখতার, প্রশমন সেবার পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক ও লেখক আসিফ হাসান নবী, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহান, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সারিয়া তাসনিম, কৃষিবিদ ও নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের নেতা ড. মো. জয়নুল আবেদীন, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সদস্য মাশহুদা খাতুন শেফালী, ক্যান্সার প্রতিরোধ কর্মী মোসাররত সৌরভ, ক্যান্সার জয়ী ফারজানা আলী লাবনী।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন ও জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির।

স্বাগত বক্তব্যে ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, ‘সীমিত সামর্থ্য নিয়ে কেবল হাসপাতালভিত্তিক কার্যক্রম দিয়ে আমাদের দেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবার আওতায় আনা সম্ভব নয়। এই চেতনা ধারাণ করে গত সাত বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্ট। সমাজকে ভিত্তি ও সম্পৃক্ত করে, ক্যান্সার প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, সূচনায় ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার জন্য সূচনায় ক্যান্সার নির্ণয় কেন্দ্র স্থাপন এবং টেলিমেডিসিন/ ভিডিও সাক্ষাতের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ টিমের পরামর্শ ও উপযুক্ত রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

এসময় কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্টের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও উদযাপন করা হয়।

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad