চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলমান অস্থিরতার মধ্যে পূর্ণ কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে চুয়েট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। তবে জরুরি সেবা কার্যক্রম কর্মবিরতির আওতামুক্ত থাকবে।
শুক্রবার সংগঠনটির সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মকবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, উপাচার্য পদে নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে যে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন শুক্রবার অনলাইনে অনুষ্ঠিত জরুরি সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সভায় চুয়েট শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অবস্থান ও দাবি এবং চুয়েট শিক্ষক সমিতির গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে কর্মবিরতি কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক মর্যাদা এবং শিক্ষার পরিবেশ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে চুয়েট পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর’ তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা এবং উন্নয়ন বজায় রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে উদ্ভূত পরিস্থিতির দ্রুত, যথাযথ ও কার্যকর নিষ্পত্তি প্রয়োজন।
এর আগে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে চুয়েট শিক্ষক সমিতিও পূর্ণ কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়।
এবার কর্মকর্তা সমিতিও কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় চলমান আন্দোলনে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ আরও স্পষ্ট হলো।


