সিলেটে দীর্ঘদিনের অবহেলিত রেলপথ উন্নয়নসহ আট দফা দাবিতে কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ধর্মঘট ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শতশত যাত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, অবরোধের ঘটনায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন প্রায় ৩০ মিনিট অবরুদ্ধ ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা সেখানে যান। পরে ঢাকা বিভাগের রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) মহিউদ্দিন আরিফ আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি আতিকুর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। দাবিগুলো নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
পরবর্তীতে আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ও প্রেস ক্লাব কুলাউড়ার সভাপতি আজিজুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে–সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রেলপথে দুইটি স্পেশাল ট্রেন চালু; আখাউড়া-সিলেট রেলপথ সংস্কার ও ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীতকরণ; আখাউড়া-সিলেট সেকশনে একটি লোকাল ট্রেন চালু; এ সেকশনের সব বন্ধ স্টেশন চালু; কুলাউড়া জংশন স্টেশনে বরাদ্দকৃত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি; সিলেট-ঢাকাগামী কালনী ও পারাবত ট্রেনের আযমপুরের পর ঢাকা অভিমুখী সব স্টেশনে যাত্রাবিরতি প্রত্যাহার; ট্রেন চলাচলে সিডিউল বিপর্যয় রোধে ত্রুটিমুক্ত ইঞ্জিন সংযোজন এবং যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনে অতিরিক্ত বগি সংযোজন।


