নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
রোববার রাতে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম টাইমস অব বাংলাদেশকে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘যে ধর্ষণের অভিযোগ, সেটার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের প্রাথমিক তদন্ত হয়েছে। তদন্তে আমরা ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাইনি। আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে।’
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শনিবার দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নে ‘শাপলা কলি’প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। শনিবার দুপুরে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এসে ওই নারী সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
হাতিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘অভিযোগকারী এনসিপির সমর্থক ছিলেন। তার ঘরে এসে বিএনপির সমর্থকরা হামলা করেন বলে অভিযোগ। তার স্বামীকে বাইরে বের করে মারধর করা হয়। ঘটনাটি শনিবার সকালের, তখন সেখানে অনেকেই ছিলেন, কিন্তু সেখানে ধর্ষণের ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারেননি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওইদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।’
এদিকে এ ঘটনায় নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শনিবার রাতে বিবৃতি দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
একই ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করে জাতীয় ছাত্র শক্তি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা।


