গত মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ হয়েছে, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর সর্বোচ্চ।
রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ হয়েছে। গত এপ্রিল মাসে যা ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ।
অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে। এপ্রিলে যেটি ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে, এপ্রিল মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ থাকলেও মে মাসে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
এ ছাড়া মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
মে মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
এদিকে, গত মে মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার হয়েছে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। ফলে, মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি কম হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে জনগণের।
এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর খরচের চাপ আরেক দফা বাড়ল।
গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। পরে গত ৩১ মে আবারও এক দফা দাম বাড়ানো হয়। এ ছাড়া গত সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে চলতি জুন মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।


