রাজধানীর রমনা এলাকায় স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অপহৃত আফনান সাঈদকে দ্রুত উদ্ধার করে রমনা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম, ইফফাত ইয়ামিন লিখন, হাসান আল বান্না ওরফে হাসান এবং মুস্তাকিমুর রহমান ওরফে কুঞ্জকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রমনা মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সিদ্ধেশ্বরীর শান্তিনগর মোড়ে আল মদিনা প্যালেসের সামনে বাটা শোরুমের কাছে ভুক্তভোগীকে কৌশলে ডেকে নেয় ওয়াহিদুর রহমান শান্ত। পরে তাকে চামেলীবাগের নির্মাণাধীন ১০তলা ডোম-ইনো ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে তার বাবার কাছেও বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয় এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা সচিবালয়ে চাকরি করার সুবাদে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর পর রমনা মডেল থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায়। অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তাররা এর আগে আরও ছয়টি অপহরণের সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তারা পরস্পর যোগসাজশে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করত। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


