আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর বাজার ধরতে প্রস্তুত যশোরের খামারিরা। খামারগুলোতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার গবাদিপশু। যা চাহিদার তুলনায় অন্তত ১৫ হাজার বেশি বলছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। গরু-ছাগলের পাশাপাশি এবার যশোরে উট, দুম্বা ও মহিষও প্রস্তুত করেছেন যশোরের খামারিরা। কোরবানিকে সামনে রেখে যশোরের শার্শার নাসির এগ্রোতে এবার সাতটি উট লালন করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে দুটি বিক্রি হয়েছে। খামার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বছর জুড়ে লালন-পালনের পর একেকটি উট অন্তত ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়। মাংস হয় গড়ে ৩০-৩২ মণ। উটগুলো ঢাকা, চট্টগ্রামের হাটে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। খামারি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘মরুভূমির এই প্রাণী আমাদের…
Author: রায়হান সিদ্দিক, যশোর
যশোরের মণিরামপুরে হাত-পা ছাড়া জন্ম নেওয়া লিতুন জিরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। অদম্য মেধা আর ইচ্ছাশক্তির এই প্রতীক লিতুন উপজেলার গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন। বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের পর আনন্দে আত্মহারা লিতুনের পরিবার। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করে তারা জানিয়েছেন মেয়ের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা- চিকিৎসক হওয়া। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষাতেও পেয়েছেন কৃতিত্ব। পেয়েছেন প্রাথমিক বৃত্তি, হয়েছেন শ্রেণির সেরা শিক্ষার্থী, অংশ নিয়েছেন সাংস্কৃতিক চর্চায়ও। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পাঠ্যক্রম-বহির্ভূত কার্যক্রমেও অর্জন করেছেন স্বীকৃতি। জানা গেছে, ২০২৩ ও ২০২৪…
যশোরের একসময়ের খরস্রোতা ভৈরব নদ এখন দূষণ ও অবৈধ দখলে মৃতপ্রায়। দফায় দফায় সতর্কীকরণ, মামলা বা জরিমানা সত্ত্বেও দূষণের মাত্রা বাড়ছেই। পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৪টি প্রতিষ্ঠান সরাসরি এই দূষণের জন্য দায়ী। তবে তাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২৪টি দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: যশোর পৌর এলাকার কুইন্স হাসপাতাল, অসীম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কিংস হাসপাতাল, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাবজোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পদ্মা নার্সিং হোম, অর্থোপেডিক হাসপাতাল,…
যশোর পৌর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারী বাড়াতে ৯ বছর আগে নেয়া উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ মার্চ প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌর এলাকায় ১৩০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে যশোর পৌরসভা, যার মধ্যে বর্তমানে সচল আছে মাত্র ৭০টি । বাকি ৬০টি ক্যামেরার মধ্যে ২০টিরও বেশি চুরি হয়েছে আর বাকিগুলো ‘বিকল’। এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট উত্তর নেই পৌরসভার কাছে। অপরাধ প্রবণতা কমাতে এবং নজরদারি বাড়াতে শহরজুড়ে আরও বেশি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ৭৬টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন লাগানো হয়। এর আওতায় রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক…

