রাজধানীর ভাটারা থানায় ১৫ আগস্টে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ যুবকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন–লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়া।
আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তাদের উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট একই মামলায় যুবলীগ নেত্রী মেহজাবীন আক্তার মালাসহ ১৫ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল আদালত।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লকের ২৮ নম্বর সড়কের একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও সেখান থেকে ৫২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মুঠোফোন ও তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ভাটারা থানায় মামলা করে পুলিশ। পরদিন ৫২ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার পাশাপাশি দুই শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। পরে আদালতের আদেশে ৫২ আসামিকে কারাগারে এবং দুই শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
গত ১৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান ৫২ আসামির সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১৫ আগস্ট উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিলের উদ্দেশ্যে তারা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। এ সময় তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগ এনেছে।


