ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফ কারাগারে

ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফ কারাগারে
ইলিয়াস আলী (বামে) ও মো. সাইফুর রহমান। ছবি: কোলাজ/টাইমস 
Advertisement
Advertisement

বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করে গুমের ঘটনায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান সাইফকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার প্রসিকিউশনের আবেদনের শুনানি নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেয়। এদিন সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এর আগে ৯ আগস্ট ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করে গুমের ঘটনায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী তাবারক হোসেন। আসামিপক্ষ জামিন চাইলেও প্রসিকিউশন জামিনের বিরোধিতা করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে।

আরও পড়ুন

এর আগে ২১ জুন শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম আসে। এরপর ২৬ জুলাই রাতে বাসা থেকে তাকে আটক করে বিশেষ সামরিক পুলিশ শাখা (প্রভোস্ট)। পরে তাকে বাহিনীর বিশেষ সেলে হেফাজতে রাখা হয়।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, ২০১২ সালের এপ্রিলে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে এ ঘটনায় বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদসহ এই ঘটনায় অন্যদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে।

২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে বিএনপির তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালককে তুলে নেওয়া হয়। এরপর তাদের আর খোঁজ মেলেনি।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশেই ইলিয়াস আলীকে ‘গুম’ করা হয়। আর র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখা তাতে সরাসরি জড়িত ছিল বলে প্রসিকিউশনের দাবি। বিমান বাহিনীর তখনকার স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান সে সময় র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad