নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ৩০টি আসনে পুনরায় ফল গণনার আবেদন করেছে জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার বিকালে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংবাদ সম্মেলনে জামায়েতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এহসানুল মাহবুব বলেন, ৩০টি আসনে পুনরায় ভোট গণনার আবেদন করেছে জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ফলাফল স্থগিত রাখতে আইনি পথে হাঁটবে দল। একই সঙ্গে এই ৩০টি আসনে নবনির্বাচিতদের শপথ স্থগিত রাখতেও আবেদন করা হয়েছে।
আসনগুলো হলো পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট- ২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৫, বরগুনা-১, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১ (রিকশা), ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ- ৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩ (রিকশা), ঢাকা-১৭, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ ও কক্সবাজার-৪।
এহসানুল মাহবুব অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনের পর সারা দেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। নারীদের ওপরও হামলা চালানো হচ্ছে। নির্বাচনে অন্তত ৩০টি আসনে কারচুপি, এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন আসনের কেন্দ্রে ফল ঘোষণায় অনিয়ম সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রমাণ পত্র দেখান তিনি।
তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েকটি আসনে চূড়ান্ত ফলাফলে জামায়াত জোটের প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও পরবর্তীতে কাটাছেঁড়া করে এখানে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’
বৃহস্পতিবার ২৯৯ আসনে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। শুক্রবার রাতে ২৯৭ আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়।


