জামায়াত ক্ষমতায় এলে মহেশখালী হবে দেশের অর্থনৈতিক হাব–এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রবন্দর বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চল দেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।’
সোমবার দুপুরে বড় মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘মহেশখালীর লবণ ও পান চাষিরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। উৎপাদনের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে এই খাতগুলোর পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।’
নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট দিয়ে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করলে এবং জামায়াতের নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব হলে মহেশখালীর যোগ্য সন্তানদের রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।’ মহেশখালী থেকেই মন্ত্রী উপহার দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নির্বাচনী এই সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার জন্য শফিকুর রহমান সোমবার দুপুর পৌনে ১২টায় হেলিকপ্টারে করে মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে পৌঁছান। পরে সড়কপথে পাঁচ কিলোমিটার দূরের বড় মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের আমির মহেশখালী ও কক্সবাজারকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।’
সমাবেশ শেষে জামায়াতের আমির হেলিকপ্টারযোগে কক্সবাজার শহরের কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং পরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে আরও দুটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তিনি।


