নওগাঁর দুই সীমান্তে সাতজনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তৎপরতায় তাদের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে সাতজনই সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন নারী ও ছয়জন পুরুষ রয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে জেলার পত্নীতলা উপজেলার কড়িয়া এবং সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙা সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সকালে পত্নীতলা উপজেলার কড়িয়া সীমান্ত দিয়ে তিনজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজিবির একটি টহল দল। বিজিবির তৎপরতায় পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত হয়। পরে ওই তিনজনকে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
একই সময়ে সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙা সীমান্ত এলাকাতেও চারজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। বিজিবি বিষয়টি জানতে পেরে সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। প্রাথমিকভাবে বিজিবি জানতে পেরেছে, ওই চারজন একই পরিবারের সদস্য।
দুই সীমান্তে সাতজন অবস্থান নেওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তাদের বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানিয়েছে বিজিবি।
পত্নীতলা ১৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে পত্নীতলার কড়িয়া সীমান্ত এলাকায় তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তা প্রতিহত করে। একইভাবে সাপাহারের সোনাডাঙা সীমান্তে আরও চারজনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সাতজনই সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তাদের বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
এদিকে একই দিনে জেলার দুই সীমান্তে একসঙ্গে সাতজনকে পুশইনের চেষ্টার ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।


