নেশনস লিগে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবারের ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা। একটি করে গোল পেয়েছেন জুড বেলিংহ্যাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও মরগান রজার্স।
রিজেকায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় জয়ে নেশনস লিগের গ্রুপে তিন ম্যাচে দ্বিতীয় জয় পেল থমাস টুখেলের দল। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক কেইনের জোড়া গোলে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৯।
টুখেলের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয়। ম্যাচে বেলিংহ্যাম তিনটি গোলে সহায়তা করেন। মঙ্গলবার চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের ম্যাচে একাদশের বাইরে থাকার পর এদিন দারুণভাবে ফিরেছেন তিনি।
ইংল্যান্ড আট মিনিটেই এগিয়ে যায়। বোর্নমাউথের মিডফিল্ডার অ্যালেক্স স্কটের পাস থেকে বল পান বেলিংহ্যাম। তাঁর পাস ধরে ১০ গজ দূর থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন কেইন।
২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেলিংহ্যাম। ২৭ পাসের আক্রমণের শেষ দিকে গর্ডনের সহায়তায় বল জালে পাঠান তিনি।
৩৯ মিনিটে ইংল্যান্ডের তৃতীয় গোল করেন গর্ডন। জ্যারেল কোয়ানসার ক্রস থেকে হেডে গোল করেন তিনি। শেষ চার ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে এটি গর্ডনের চতুর্থ গোল।
বিরতির ঠিক আগে চতুর্থ গোল পায় ইংল্যান্ড। বেলিংহ্যামের নিচু ক্রস থেকে কাছ থেকে গোল করেন সাকা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার গোলের দেখা পান কেইন। ৫৩ মিনিটে অ্যান্ডারসনের ক্রস থেকে বল জালে পাঠান ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
৬৮ মিনিটে কেইনের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সাকা। ক্রোয়েশিয়ার আরেকটি ভুলের সুযোগ কাজে লাগান আর্সেনালের এই উইঙ্গার।
৮৭ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ইংল্যান্ডের সপ্তম গোল করেন মরগান রজার্স। বেলিংহ্যামের পাস পেয়ে গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচকে কাটিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।
এই জয়ে নেশনস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকল ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার ওয়েম্বলিতে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক বিরতি শেষ করবে টুখেলের দল।
রিজেকার ম্যাচটি হয়েছিল সীমিত দর্শকের উপস্থিতিতে। ২০২৫ সালে ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে ম্যাচটি ‘দর্শকশূন্য’ মাঠে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরে স্থানীয় প্রায় ৬ হাজার স্কুলশিক্ষার্থী ও ইংল্যান্ডের ১০০ সমর্থককে মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।
ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা কাছের অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে সাঁতার কাটেন। টুখেল তখন সতর্ক করেছিলেন, দলের স্বস্তির পরিবেশ যেন তাদের ‘ছুটির মেজাজে’ না নিয়ে যায়। মাঠে অবশ্য তার কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। ইংল্যান্ড শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।


