জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি
দ্বিতীয় সমাবর্তনের প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ। সোমবার গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে। ছবি: সৌজন্যে
Advertisement
Advertisement

দশ বছর পর আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন।

সোমবার গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সমাবর্তন সুষ্ঠু ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে সমাবর্তন ব্যবস্থাপনা কমিটি ও বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়।

সভায় উপউপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও দপ্তর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপাচার্য সমাবর্তন আয়োজনের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই বিশেষ দিনের অংশ হতে পারেন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, ‘সমাবর্তন শুধু আনুষ্ঠানিক কোনো আয়োজন নয়; একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের অর্জন ও সাফল্যের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দিন। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রত্যাশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজন করতে হবে।’

রোববার বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি দেন এবং সমাবর্তন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমাবর্তন বক্তা কে থাকবেন, কোন কোন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং আয়োজনের অন্যান্য বিস্তারিত বিষয় শিগগির সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

দেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ১০ বছর বিরতির পর দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েটের অংশগ্রহণে এটি একটি বড় আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad