প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘শিক্ষকদের অবসরের টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। কোনো ভোগান্তি থাকবে না। মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হবে না।’
শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের বাস্তব অবস্থা আমরা একটি ভিডিওতে দেখেছি। আগে ঘুষ দিয়ে ভাতার টাকা নিতে হতো। এখন যত সহজে শিক্ষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, আগে এত সহজ ছিল না। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার লুটপাট করে অবসরের দুটি বোর্ড পঙ্গু করে রেখে গেছেন।’
তারেক রহমান আরও বলেন, শিক্ষকদের অবসর ভাতার ফান্ডে পর্যাপ্ত টাকা নেই। বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের টাকা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘প্রচলিত নিয়মে শিক্ষকতা থেকে অবসর নিলেও আপনারা এখনও শিক্ষক। আপনাদের ভূমিকা সর্বজনগ্রাহ্য।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার অর্থ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ শুরু হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধার আবেদন যাচাই-বাছাই করে প্রস্তুত করা হয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণের অর্থ পরিশোধে সরকার এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে। চার বছর ধরে জমে থাকা বকেয়া পরিশোধে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে তাদের ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানো হচ্ছে।
এর আগে গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়ার সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


