জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ইউএনডিপির একটি প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সংসদীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার কী কী উদ্যোগ গ্রহণ করা যায়, সেসব বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
রোববার দুপুরে সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে ইউএনডিপির প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাহিদারও পরিবর্তন ঘটে। পরিবর্তিত সমাজব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য আইনেরও সংশোধনের প্রয়োজন হয়।
ডেপুটি স্পিকার সংসদের লাইব্রেরিতে সদ্য সমাপ্ত গ্রাজুয়েটরা যেন পার্লামেন্টারি ফেলোশিপ বা ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম করে তাদের অর্জিত জ্ঞানকে আরও বৃদ্ধি করতে পারে, সে ব্যাপারে ইউএনডিপির প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।
সংসদের কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্য কোনো সংস্থার প্রকল্পের সঙ্গে যেন ডুপ্লিকেশন না হয়, সে বিষয়ে তিনি তার মতামত তুলে ধরেন। এ ছাড়া ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার ব্যাপারে ডেপুটি স্পিকার ইউএনডিপির কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
ইউএনডিপি বাংলাদেশ ও নেপাল পার্লামেন্টের সংসদ সদস্যদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব করলে ডেপুটি স্পিকার সহমত পোষণ করেন। সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ইউএনডিপি কর্তৃক জাতীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আয়োজনের উদ্যোগের বিষয়টিতে ডেপুটি স্পিকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নের নেতৃত্বে সিনিয়র গভর্নেন্স স্পেশালিস্ট ড্রাগন পোপোভিচ, তানভীর মাহমুদ, প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


