২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অন্তত ৭০টির বেশি পণ্যে শুল্ক-কর ও নিয়ন্ত্রণমূলক বাধা কমানো বা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাত, বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত।
বাজেট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৩৪টির বেশি ক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২০টির বেশি পণ্যের নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) বাতিল বা কমানো হয়েছে। সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে অন্তত ছয় ক্ষেত্রে। ভ্যাট কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে পাঁচটি পণ্যে, অগ্রিম আয়কর কমানো হয়েছে আট ক্ষেত্রে এবং অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে চারটি ক্ষেত্রে।
এ ছাড়া লিপস্টিক, ফেসক্রিম, ফেসওয়াশ, ময়েশ্চার লোশন, দরজার তালা এবং ওভেন-কুকারের মতো পণ্যের ন্যূনতম মূল্য কমানো হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের আমদানি মূল্যায়নের ভিত্তি কমবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সহায়ক উপকরণ এবং সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর ছাড়া প্রায় সব ধরনের শুল্ক-কর মওকুফের সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।
রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের শুল্কনীতির মূল লক্ষ্য হলো উৎপাদন ব্যয় কমানো, প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা। তবে এসব সুবিধার ফলে সরকারের রাজস্ব আদায়ে কতটা প্রভাব পড়বে, তা আগামী অর্থবছরে স্পষ্ট হবে।


