আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের ৫ কোটি টাকা বহন সংক্রান্ত বক্তব্য নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের পর নিজের অবস্থা্ন জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বুধবার সন্ধ্যায় এক ব্রিফিংয়ে তাকে মিসকোট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসি সচিব বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি ফাইন্যান্সিয়াল ইস্যুতে আমাকে কোট করা হয়েছে। আমি নাকি বলেছি ৫ কোটি টাকা নিয়ে যাওয়া হলেও কোনো অসুবিধা নেই। এটা বলার এখতিয়ার বা ক্ষমতা আমার নেই এবং আমি এটা বলিনি। আমাকে মিসকোট করা হয়েছে। দয়া করে এরকম মিসকোট করবেন না। একটি ভালো নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে যদি আমরা আমাদের এই অপতথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করি, সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক হবে।’
আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে টাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। আমি বলেছি, যারা এটা ইন্টারসেপ্ট করেছে, তারা সোর্স, অ্যামাউন্ট অ্যান্ড পারপাস অব ফান্ড-এগুলোর ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমার এই কথাকে যদি দুর্ভাগ্যজনকভাবে মিসকোট করা হয়, সেটা আমার জন্য অত্যন্ত অপমানজনক।
তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং সবাইকে এরকম অপতথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে অনুগ্রহ করেন।
নির্বাচনের প্রার্থীদের অর্থ বহনের বিষয়ে আইনগত দিক নিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘আইনি ব্যাখ্যার কোনো ব্যাপার নেই। আমি আবারও বলছি, যে কর্তৃপক্ষ এটাকে ইন্টারসেপ্ট করেছেন, বিষয়টি তাদের। আইনের ব্যাখ্যা তো তারাই দেবেন।
এ সময় টাকা বহনের পরিমাণ নির্ধারণের বিষয়ে তার কোনো ক্ষমতা বা অধিকার আছেন কিনা প্রশ্ন রাখেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে আখতার আহমেদ আরও বলেন, ‘আপনারা যদি আমার কাছে আইনি ব্যাখ্যা চান, তাহলে তো এটা আমার প্রতিও অবিচার করা হচ্ছে। আপনারা আবারও একই জিনিস করছেন। দয়া করে এই অপতথ্যের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসুন। আমরা একটু ক্রস-চেক করে নিতে পারতাম। আমাকে মিসকোট করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে করবেন না।’


