চেক ডিজঅনারের মামলায় জামিন আবেদন করতে গিয়ে ভিন্ন মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে এক মামলায় করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় গত ৩ মে সাহেদ করিমকে তার অনুপস্থিতিতে এক বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে জারি করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।
সাহেদ করিমের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন জানান, রোববার চেক ডিজঅনারের আরেক মামলায় আদালতে জামিনের আবেদন করেন সাহেদ করিম। তবে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
দবির উদ্দিন জানান, চেক ডিজঅনারের অভিযোগে বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার ২০২০ সালে সাহেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন। কিন্তু আরেকটি মামলায় তার এক বছরের কারাদণ্ডের কথা জানা ছিলনা।
অস্ত্র, প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে ৩৫টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। পরে বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিনি কারামুক্ত হন।


