নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম অনুসন্ধান এবং নির্বাচনি অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার নির্বাচন কমিশনের আইন শাখার উপসচিব মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ কমিটিগুলো গঠন করা হয়। আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এই ৩০০ কমিটিতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের মূল দায়িত্ব হবে, নির্বাচন-পূর্ব অনিয়মগুলো অনুসন্ধান করা এবং এসব অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারকার্য সম্পন্ন করা।
প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকেই কমিটির কর্মকর্তারা নিজ দপ্তর হতে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন এবং নির্বাচন কমিশনে ন্যস্ত থাকবেন। তারা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় উপস্থিত থেকে সবসময় নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের সময় পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব কোনো অনিয়ম সংঘটিত হলে কমিটিগুলো তিন দিনের মধ্যে তা অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন। জেলা নির্বাচন অফিসার সেসব অনুসন্ধান প্রতিবেদন সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কাছে পাঠাবেন। অতিসত্ত্বর সেই প্রতিবেদন পিডিএফ ফরমেটে সচিবালয়ের আইন অনুবিভাগের উপসচিব (আইন বিষয়ক-১ শাখা)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে এবং কমিটিগুলো সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।


