বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডেন্টাল ক্লিনিক ও মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছর করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
একই সঙ্গে লাইসেন্স পেতে পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নারকোটিক লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিয়মিত পরিদর্শনে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করার সুযোগও রাখা হয়েছে।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের মেয়াদ এক বছরের পরিবর্তে দুই বছর করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থা ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে।
নতুন ব্যবস্থায় দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। নতুন লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নারকোটিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়, তাদের লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নারকোটিক লাইসেন্স নিতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিজ নিজ দপ্তরের হালনাগাদ লাইসেন্স তদারকি করবে।
বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে নিয়মিত পরিদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনে অনিয়ম বা নির্দেশনার ব্যত্যয় পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।


