দেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগীদের মধ্যে মোট ৯৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু ৮৯৯ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর মৃত্যু ১০০ জন।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মঙ্গলবারের স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে দুইজন। বরিশাল ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ও ১৯ হাজার ৮৩৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে ৮৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীদের মধ্যে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ১৫৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ৭৯ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময়ে ১ হাজার ৮৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১ হাজার ১৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়, ৪১৭ জন। এরপর চট্টগ্রামে ২৫৬, সিলেটে ১৫০, বরিশালে ১২৫, ময়মনসিংহে ৭৬, খুলনায় ৮০, রাজশাহীতে ৩৫ এবং রংপুরে ১৮ জন শনাক্ত হয়েছেন।
এদিকে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ সময়ে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৮৩৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে মোট ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এর বিপরীতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার ২৫৪ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৬ শতাংশ।
বিভাগগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে টিকাদানের হার সবচেয়ে বেশি, ১১৪ দশমিক ৯ শতাংশ। চট্টগ্রামে ১১২ দশমিক ৬, ঢাকায় ১১০ দশমিক ৩, রংপুরে ১০৯ দশমিক ৭, রাজশাহীতে ১০৭ দশমিক ৯, খুলনায় ১০৪ দশমিক ৯, বরিশালে ১০৪ দশমিক ৪ এবং সিলেটে ১০৪ দশমিক ২ শতাংশ টিকা দেওয়া হয়েছে।
সিটি করপোরেশন এলাকায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন। এ পর্যন্ত ২০ লাখ ৬৯ হাজার ২১৭ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৮ দশমিক ৬ শতাংশ।


