২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট ও ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। বায়ু, বর্জ্য, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও কাঠামোসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক ও কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় প্রতি ইউনিট সর্বোচ্চ ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম ধরে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সায় কেনা হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে স্থাপন করা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এ সুবিধা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা-২০২৫, নেট মিটারিং গাইডলাইন-২০২৫, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।


