২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় কলেজছাত্র হৃদয় হোসেনকে হত্যার পর মরদেহ গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গাজীপুরের কোনাবাড়ি থানার সাবেক ওসি কেএম আশরাফ উদ্দিনসহ দুজনের জামিনের আবেদন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শুনানি গ্রহণ করে। আবেদনের পক্ষে আইনজীবী সুলতান মাহমুদ ও প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর শেখ মইনুল করিম।
প্রসিকিউটর মইনুল বলেন, ‘সাবেক ওসি আশরাফসহ গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আমরা শুনানিতে বিরোধিতা করেছি।’
মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে, ঘটনার সঙ্গে আসামিদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ রয়েছে। ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। সেদিন আবেদনের ওপরে আবার শুনানি হবে, যোগ করেন তিনি।
প্রসিকিউশনের তথ্য মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ছাত্র-জনতার বিজয় মিছিলে অংশ নেন হৃদয়। ওইদিনই তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পুলিশ। গুলি করার পর হৃদয়ের রক্তাক্ত মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি।


