ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আগামী ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনে লড়বেন পাঁচজন প্রার্থী। এরইমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা।
সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ। এরআগে এই আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন।
জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় এ আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর আগামী ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরে এ আসনের জন্য নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর ছোটভাই মাসুদুর রহমান মাসুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয় জামায়াত। মাসুদুর রহমান জেলা জামায়াতের ব্যবসায়িক শাখা ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ নির্বাচনে আগের বৈধ চারজন প্রার্থীকে নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হয়নি। তারা হচ্ছেন- বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা। এদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যনুযায়ী, ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসন। এখানে মোট ভোটার চার লাখ ১৩ হাজার ২৭৭ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগের চারজন বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। আর একজন প্রার্থী আজকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ৫ মার্চ মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। আর প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ১৫ মার্চ।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন বা অনিয়মের চেষ্টা করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


