বলিউডের আদর্শ দম্পতি ধরা হয় অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনকে। ভারতীয় সাংবাদিক পূজা সামান্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বচ্চন খোলাখুলিভাবে জানালেন স্ত্রী জয়ার প্রতি তার কৃতজ্ঞতা।
তিনি বলেন, ‘জীবন গঠনে যেমন বাবা-মায়ের অবদান অমূল্য, তেমনি জয়ার ভূমিকাও আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। যখন আমি দিন-রাত কাজের চাপে ডুবে থাকতাম, জয়া নিজের ক্যারিয়ার ছেড়ে সংসার সামলেছেন, সন্তানদের বড় করেছেন, তাদের মধ্যে সঠিক মূল্যবোধ গড়ে তুলেছেন।’
সত্তর ও আশির দশকে যোগাযোগের মাধ্যম আজকের মতো সহজ ছিল না। তবুও জয়া খুঁজে নিয়েছিলেন নিজের উপায়। শুটিংয়ে ব্যস্ত স্বামীর টিফিনে তিনি লুকিয়ে দিতেন ছোট ছোট হাতের লেখা নোট—’আজ তাড়াতাড়ি ফিরো, অভিষেক ভালো নেই’ কিংবা ‘স্কুলে যেতে হবে তোমাকে।’ এই সরল বাক্যগুলোই ছিল অমিতাভের কাছে ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধের গভীর স্মারক।
‘গুড্ডি,’ ‘অভিমান,’ কিংবা ‘শোলে’-র মতো ছবিতে অনন্য অভিনয় দিয়ে জয়া বচ্চন তখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বলিউডে। অথচ ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থেকেও তিনি বেছে নিয়েছিলেন পরিবারকে। অমিতাভের মতে, ‘তিনি যদি নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতেন, আরও অনেক দূর এগোতে পারতেন।’ তবুও জয়ার কাছে সংসারই ছিল প্রথম অগ্রাধিকার, আর সেই সিদ্ধান্তেই সম্ভব হয়েছিল অমিতাভের সেরা সময়ে পুরো মনোযোগ দিয়ে কাজ করা।


