শাপলা চত্বরের ঘটনায় রূপা-বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আসকের উদ্বেগ

শাপলা চত্বরের ঘটনায় রূপা-বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আসকের উদ্বেগ
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

সাংবাদিক ফারজানা রূপা ও মোজাম্মেল হক বাবুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানায় সংস্থাটি।

২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রূপা ও বাবুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিচারিক কার্যক্রমও এগিয়ে যাচ্ছে।

আসক বলেছে, শাপলা চত্বরের ঘটনায় প্রাণহানি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্য উদ্‌ঘাটন করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন

সংস্থাটি বলেছে, গুরুতর অপরাধের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা ও দায় প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে। সংবাদ প্রকাশ বা সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে অপরাধের সম্পর্ক আছে কি না, সেটিও সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং অপরাধে অংশগ্রহণ বা সহায়তা এক বিষয় নয়। তাই দুটি বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করা উচিত।

রূপা ও বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আর্টিকেল ১৯, সিভিকাস, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচও উদ্বেগ জানিয়েছে। ১৫ জুলাই ২০২৬-এর যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো সাংবাদিকতার পেশাগত ও সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনার বিষয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ জানায়।

আসক আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রক্রিয়ায় আইনের শাসন, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ জরুরি। অভিযোগের গুরুত্ব অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন ও ন্যায়বিচারের অধিকার খর্ব করতে পারে না। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অভিযুক্তকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

রূপা ও বাবুর বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সংগতভাবে পরিচালনা এবং তাদের আইনি অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে আসক।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad