সুদানের আবেইতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত শহীদ কর্পোরাল মাসুদ রানার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার বিকাল ৪টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলার বোয়ালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
এর আগে, রোববার বেলা ১১টার দিকে মাসুদ রানার মরদেহ বহনকারী সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার তার গ্রামের বাড়ি সংলগ্ন করিমপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখান থেকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কফিন বাড়িতে আনা হয়। পরে মাসুদ রানাকে গার্ড অব অনার দেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১ পদাতিক ডিভিশনের একটি দল।
শহীদ মাসুদ রানা লালপুর উপজেলার বোয়ালিয়াপাড়া গ্রামের মৃত সাহার উদ্দিনের বড় ছেলে। নিহতের পরিবার জানায়, তিন ভাইয়ের মধ্যে মাসুদ রানা ছিলেন সবার বড়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। তার মেজো ভাই মনিরুল ইসলাম এবং ছোট ভাই রনি আলমও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আছেন। সর্বশেষ শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ার আগে মাসুদ রানা যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত ছিলেন।
গত ১৩ ডিসেম্বকর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় মাসুদ রানাসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন সদস্য নিহত হন। এ হামলায় আরও আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
শনিবার এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে নিহতদের মরদেহ দেশে পৌঁছায়। রোববার ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাদের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।


