অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সীমিত সম্পদের মধ্যে দেশের সব মানুষকে স্বস্তি দিতেই এবারের বাজেট।
বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রিসভা বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।
রীতি অনুযায়ী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ সভা হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংক্রান্ত বিলে অনুমোদন সূচক সই করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর বিকাল ৩টায় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে ১৯ বছর পর জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছে বিএনপি।


