চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সলিমপুরের সিডিএ আবাসিক এলাকায় ব্রাদার্স অ্যাগ্রো নামে একটি খামার থেকে সাতটি গরু লুট হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোরে খামারের এক কর্মীকে মারধর করে শাহিওয়াল জাতের এসব গরু লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতদল। মারধরে আহত খামারের কর্মী মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার মাথা ও দুই পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
খামারটির মালিক সাজেদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মালেক চৌধুরী বলেন, খামারের দুটি গেটে তালা ছিল। মঙ্গলবার ভোরে হঠাৎ ডাকাতদল এসে খামারের একটি গেটের তালা ভাঙার চেষ্টা করে। এ সময় বাচ্চু মিয়া গেটের কাছে গেলে কয়েকজন ডাকাত তার গলায় ছুরি ধরে। এক পর্যায়ে তিনি চিৎকার করলে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ডাকাতদল। পরে তারা একটি পিকআপ নিয়ে এসে গরুগুলো লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতদল চলে যাওয়ার পর বাচ্চু মিয়া খামার থেকে বের হয়ে প্রতিবেশীদের ডাকাতির বিষয়টি জানান।
খামারটির মালিক সাজেদ চৌধুরীর বন্ধু সাগর চৌধুরী বলেন, লুট হওয়া গরুর মধ্যে ছিল ছয়টি ষাঁড় ও একটি গাভি। এসব গরুর বাজার মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা। ডাকাতদল বৈদ্যুতিক লাইনও কেটে দেয় বলে জানান তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সোহেল রানা বলেন, খামার থেকে গরু চুরির খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
গরু লুটের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে চট্টগ্রাম ক্যাটেল ফার্মার্স কমিউনিটির প্রতিনিধি ও এশিয়ান গ্রুপের পরিচালক ওয়াসিফ আহমেদ সালাম বলেন, চট্টগ্রামে খামার থেকে একের পর এক গরু লুটের ঘটনায় খামার মালিকরা উদ্বিগ্ন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে বাঁশবাড়িয়ার মাইলের মাথায় এলাকায় ‘এন আই’ অ্যাগ্রো থেকে ১২টি গরু লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতদল। এখন পর্যন্ত লুট হওয়া গরুগুলো উদ্ধার করা যায়নি।


