চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কর্মকর্তাদের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করে সড়ক ছেড়েছেন আন্দোলনকারীরা।
শনিবার দুপুরে পরবর্তী কোনো কর্মসূচি ঘোষণা ছাড়াই সিএমপি কার্যালয় থেকে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।
গণঅধিকার পরিষদের সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আজকের মতো এখানে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করছি। কেন্দ্র থেকে ঘোষণা এলে পরবর্তী কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেব। সেটি পরে আপনাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।’
‘দলের সভাপতি নুরুল হকের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছেন। হামলার বিচার করতে হবে। হামলাকারীদের অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে পদত্যাগ করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
চট্টগ্রাম পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা অবস্থানে ছিলেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না হয় সেজন্য আমরা সজাগ ছিলাম।’
এর আগে, ঢাকায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে দুপুরে নগরীর ২ নম্বর গেট, ষোলশহর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও ব্লকেড কর্মসূচি শুরু করা হয়। এ সময় চারদিকের রাস্তা বন্ধ করে টায়ার ও পরিত্যক্ত কাগজে আগুন ধরিয়ে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। এতে মোড়ের সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী।
দুপুরে ২ নম্বর মোড়ে থেকে মিছিল নিয়ে এসে সিএমপি কার্যালয় ঘেরাও করে আন্দোলনকারীরা। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।
বিক্ষোভে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর, আপ বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বীর চট্টলার বিপ্লবী ছাত্র-জনতা সমর্থন জানায়।
বিক্ষোভকারীরা জানান, নুরের ওপর হামলা করে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের স্বপ্ন দেখছে একটি পক্ষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি জানান তারা।
জাপা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসরদের ওপর ভর করে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। বিপ্লবী জনতা এটি কখনো হতে দেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।


